গ্রামে নেমে দড়ির খাটিয়ায় বসে গ্রামের মানুষের অভাব অভিযোগ শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী
দি নিউজ লায়ন ; বাঁকুড়ার মুকুটমনিপুর থেকে খাতড়ার সিধু কানু স্টেডিয়ামে যাওয়ার পথে রাস্তার ধারে বেঁকিয়া গ্রামে আচমকাই থেমে গেল মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়। গাড়ি থেকে নেমে এলেন মুখ্যমন্ত্রী। রাস্তার ধারের একটি বাড়ির দড়ির খাটিয়া টেনে নিজেই বসে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। এমনটা যে হতে পারে তা ভাবতেই পারেননি বেঁকিয়া গ্রামের মানুষ।
বাঁকুড়া থেকে মুকুটমনিপুরে যাওয়ার পথের ধারে অবস্থান হওয়ার কারনে বেঁকিয়া গ্রামের মানুষ বহুবার যাতায়াত করতে দেখেছেন ভিভিআইপিদের। গ্রামের মাঝখান দিয়ে চলে যাওয়া রাস্তা দিয়ে ধুলো উড়িয়ে পুর্বতন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর কনভয় পেরিয়ে যেতেও দেখেছেন বেঁকিয়া গ্রামের মানুষ।
কিন্তু তাঁদের নেহাৎই ছাপোষা বাড়িতে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী হাজির হয়ে যেতে পারেন একথা স্বপ্নেও ভাবেননি বেঁকিয়া গ্রামের নিতান্ত সাদামেটে জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত মানুষগুলি। এদিন কনভয় দাঁড়িয়ে পড়তেই মুখ্যমন্ত্রী গাড়ি থেকে নেমে সটান হেঁটে যান রাস্তার পাশে থাকা গ্রামে।
মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে একে একে জোটেন গ্রামবাসীরাও। মুখ্যমন্ত্রী গ্রামবাসীদের কাছে জানতে চান বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের হাল হকিকৎ। রেশন থেকে শুরু করে কন্যাশ্রী সহ অন্যান্য সরকারি প্রকল্প গ্রামবাসীরা ঠিকমতো পাচ্ছেন কিনা সে বিষয়ে খোঁজ খবর নেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীকে এতটা কাছে পেয়ে গ্রামবাসীদের একাংশ তাঁদের সরকারি আবাস প্রকল্পে বাড়ি তৈরীর আবদার জানান। মুখ্যমন্ত্রী গ্রামবাসীদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আস্বাস দিয়েছেন।
পরে মুখ্যমন্ত্রী খাতড়ার সিধু কানু স্টেডিয়ামে সরকারি জনসভায় বলেন, কেন্দ্রের মন্ত্রীদের মতো আগে থেকে সাজানো কোনো বাড়িতে নয় সভাস্থলে আসার পথে আচমকাই বেঁকিয়া গ্রামে নেমে গ্রামবাসীদের সাথে কথা বলেছি। গ্রামবাসীরা সরকারি প্রকল্পগুলির সুবিধা ঠিকমতো পাচ্ছে কিনা সেব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়েছি।

Post a Comment